🏏 ক্রিকেট কুইজ চ্যালেঞ্জ
আপনার এবং আপনার বন্ধুর ক্রিকেটের জ্ঞান পরীক্ষা করুন!
প্লেয়ার ১-এর পালা
স্কোর: ০
প্রশ্ন: ১/১০
Go Travel is the ultimate destination for all things fashion. As an online shopping site dedicated to fashion, we provide a delightful shopping experience for all fashion enthusiasts.
আপনার এবং আপনার বন্ধুর ক্রিকেটের জ্ঞান পরীক্ষা করুন!
প্লেয়ার ১-এর পালা
স্কোর: ০
প্রশ্ন: ১/১০
होली, रंगों का त्योहार: एक छोटी कहानी
बहुत साल पहले की बात है। एक देश में हिरण्यकश्यप नाम का एक दुष्ट राजा था। उसे लगता था कि वह दुनिया में सबसे ताकतवर है और सबको सिर्फ़ उसी की पूजा करनी चाहिए।
लेकिन उसका अपना छोटा बेटा, प्रह्लाद, बहुत शांत और दयालु था। प्रह्लाद अपने पिता से नहीं, बल्कि भगवान से बहुत प्यार करता था। वह दिन भर भगवान का नाम जपता रहता था। इससे राजा को बहुत गुस्सा आता था। वह प्रह्लाद को सज़ा देना चाहता था।
राजा की एक बहन थी जिसका नाम होलिका था। होलिका के पास एक जादुई घूंघट था। कहा जाता था कि अगर वह वह घूंघट पहन लेगी, तो आग उसे छू नहीं पाएगी। राजा ने होलिका से कहा, "तुम प्रह्लाद के साथ जलती आग के बीच बैठ जाओ। तुम्हारा घूंघट तुम्हें बचा लेगा, लेकिन प्रह्लाद जल जाएगा।"
लेकिन जानते हो क्या अजीब है? जब प्रह्लाद आग के बीच बैठकर शांति से भगवान का नाम जप रहा था, तो एक चमत्कार हुआ! हवा के एक झोंके में होलिका का जादुई पर्दा उड़ गया और छोटे प्रह्लाद को लपेट लिया। होलिका जल गई, लेकिन प्रह्लाद चेहरे पर मुस्कान लिए आग से सही-सलामत बाहर आ गया।
इस कहानी से हमने क्या सीखा?
यह कहानी हमें सिखाती है कि न्याय की ताकत हमेशा अन्याय से ज़्यादा होती है। जैसे अंधेरा रोशनी से हार जाता है, वैसे ही बुराई अच्छाई से हार जाती है।
होली क्यों मनाई जाती है?
1. बुराई पर अच्छाई की जीत: होलिका दहन के अगले दिन हम रंगों से खेलते हैं। इसका मतलब है कि हम इस खुशी का जश्न मनाते हैं कि दुनिया से सारी बुराई दूर हो गई है और अच्छाई की जीत हुई है।
2. रंग-बिरंगी दोस्ती: जैसे बसंत में हमारे आस-पास की प्रकृति अलग-अलग रंगों से सज जाती है, वैसे ही हम भी एक-दूसरे को रंग लगाकर खुशी बांटते हैं। लाल, नीला, पीला, हरा— सारे रंग मिलकर हमारी ज़िंदगी को रंगीन बनाते हैं।
3. सब दोस्त हैं: होली के दिन हम अपने झगड़े भूलकर एक-दूसरे को गले लगाते हैं। अबीर लगाते समय हमें लगता है कि हम सब बराबर हैं और सबके दिल में प्यार होना चाहिए।
तो इस बार जब आप रंगों से खेलें, तो याद रखें— ये रंग सिर्फ़ हाथों के लिए नहीं हैं, बल्कि सबके लिए प्यार और दोस्ती की निशानी हैं!
রঙের উৎসব হোলি: একটি ছোট গল্প
অনেক অনেক বছর আগের কথা। এক দেশে ছিল এক দুষ্টু রাজা, যার নাম ছিল হিরণ্যকশিপু। সে মনে করত সে-ই পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী এবং সবাই যেন শুধু তাকেই পুজো করে।
কিন্তু তার নিজের ছোট্ট ছেলে, প্রহ্লাদ, ছিল খুব শান্ত এবং দয়ালু। প্রহ্লাদ তার বাবাকে নয়, বরং ভগবানকে খুব ভালোবাসত। সে সবসময় সারাদিন ঈশ্বরের নাম জপ করত। এতে রাজা খুব রেগে গেলেন। তিনি চাইলেন প্রহ্লাদকে শাস্তি দিতে।
রাজার এক বোন ছিল, যার নাম ছিল হোলিকা। হোলিকার কাছে একটি জাদুকরী ওড়না ছিল। বলা হতো, সেই ওড়না গায়ে দিলে আগুন তাকে ছুঁতে পারবে না। রাজা হোলিকাকে বললেন, "তুমি প্রহ্লাদকে নিয়ে জ্বলন্ত আগুনের মাঝে বসো। তোমার ওড়না তোমাকে বাঁচাবে, কিন্তু প্রহ্লাদ পুড়ে যাবে।"
কিন্তু কী আশ্চর্য জানো? প্রহ্লাদ যখন আগুনের মাঝে বসেও শান্ত মনে ঈশ্বরের নাম নিচ্ছিল, তখন একটা অলৌকিক কাণ্ড ঘটল! এক দমকা হাওয়ায় হোলিকার গায়ের সেই জাদুকরী ওড়না উড়ে গিয়ে ছোট্ট প্রহ্লাদের গায়ে জড়িয়ে গেল। হোলিকা পুড়ে গেল, কিন্তু প্রহ্লাদ আগুনের মাঝ থেকে হাসিমুখে অক্ষত অবস্থায় বেরিয়ে এল।
এই গল্প থেকে আমরা কী শিখলাম?
এই গল্প আমাদের শেখায় যে— অন্যায়ের চেয়ে ন্যায়ের শক্তি সবসময় বেশি। অন্ধকার যেমন আলোর কাছে হেরে যায়, তেমনি খারাপ কাজও ভালো কাজের কাছে হেরে যায়।
হোলি কেন পালিত হয়?
১. ভালো মন্দের জয়: হোলিকা দহনের পরের দিনই আমরা রঙ খেলি। এর মানে হলো আমরা খুশি উদযাপন করি যে পৃথিবী থেকে সব মন্দ দূর হয়ে গেছে এবং ভালোর জয় হয়েছে।
২. রঙিন বন্ধুত্ব: বসন্তকালে চারপাশের প্রকৃতি যেমন নানা রঙে সেজে ওঠে, আমরাও তেমনি একে অপরকে রঙ লাগিয়ে আনন্দ ভাগ করে নিই। লাল, নীল, হলুদ, সবুজ— সব রঙ মিলেমিশে আমাদের জীবনকে রঙিন করে তোলে।
৩. সবাই বন্ধু: হোলির দিনে আমরা ঝগড়া ভুলে গিয়ে একে অপরকে জড়িয়ে ধরি। আবির মাখানোর সময় মনে হয় আমরা সবাই সমান এবং সবার মনেই ভালোবাসা থাকা উচিত।
তাই এবার যখন তুমি রঙ খেলবে, মনে রাখবে— এই রঙগুলো শুধু হাতে নয়, বরং সবার প্রতি ভালোবাসা আর বন্ধুত্বের প্রতীক!
চূড়ান্ত গোয়া ভ্রমণ নির্দেশিকা (২০২৬)
গোয়া হলো ভারতীয় এবং পর্তুগিজ সংস্কৃতির এক অনন্য মিশ্রণ, যা জমজমাট পার্টি থেকে শুরু করে শান্ত, অনাবিল সৈকত পর্যন্ত সবকিছুই সরবরাহ করে। এই নির্দেশিকাটি আপনাকে দেখাবে কীভাবে এই রাজ্যের সেরা অভিজ্ঞতা লাভ করবেন।
📅 ভ্রমণের সেরা সময়
প্রধান মৌসুম (নভেম্বর – ফেব্রুয়ারি): নিখুঁত আবহাওয়া, জমজমাট নাইটলাইফ এবং বাজার। ডিসেম্বর/জানুয়ারি মাসে খুব ভিড় থাকে।
মধ্যবর্তী মৌসুম (মার্চ – মে): গরম বেশি থাকে, তবে বাজেট ভ্রমণকারী এবং শান্ত সৈকতে সময় কাটানোর জন্য এটি সেরা সময়।
বর্ষাকাল (জুন – সেপ্টেম্বর): সবুজ প্রকৃতি এবং জলপ্রপাত (যেমন দুধসাগর) তাদের সেরা রূপে থাকে, তবে সাঁতার কাটা প্রায়শই সীমাবদ্ধ থাকে।
🗺️ ৭-দিনের "দুই জগতের সেরা" ভ্রমণসূচী
দিন ১-৩: উত্তর গোয়া (উচ্ছ্বাস)
দিন ১: সৈকত ও সূর্যাস্ত। আঞ্জুনা বা ভাগাতোরে আপনার থাকার জায়গায় চেক-ইন করুন। বিকেলে ভাগাতোর সৈকতে সময় কাটান এবং এক অসাধারণ সূর্যাস্ত দেখার জন্য চাপোরা দুর্গে (সেই 'দিল চাহতা হ্যায়' দুর্গ) হেঁটে যান।
দিন ২: রোমাঞ্চ ও নাইটলাইফ। জলক্রীড়ার (প্যারাসেলিং, জেট স্কিইং) জন্য বাগা বা কালাঙ্গুটে যান। সন্ধ্যায় বিখ্যাত টিটো'স লেন বা থ্যালাসার মতো কোনো বিচ ক্লাব ঘুরে দেখুন।
দিন ৩: বাজার ও বোহেমিয়ান পরিবেশ। যদি বুধবার হয়, তবে আঞ্জুনা ফ্লি মার্কেট ঘুরে দেখুন। অন্যথায়, আসাগাও-এর ক্যাফেগুলো ঘুরে দেখুন এবং আরামবোল সৈকতে বিশ্রাম নিন, যা তার ড্রাম সার্কেল এবং ব্যাকপ্যাকার পরিবেশের জন্য পরিচিত।
দিন ৪: মধ্য গোয়া (ঐতিহ্য)
সকাল: ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান ওল্ড গোয়া (ভেলহা গোয়া) ঘুরে দেখুন। ব্যাসিলিকা অফ বোম জেসাস এবং সে ক্যাথেড্রাল পরিদর্শন করুন।
দুপুর: পাঞ্জিমের ল্যাটিন কোয়ার্টার ফন্টেইনহাস-এর মধ্যে ঘুরে বেড়ান। রঙিন পর্তুগিজ-শৈলীর বাড়িগুলো একজন ফটোগ্রাফারের জন্য স্বপ্নের মতো।
সন্ধ্যা: মান্ডভি নদীতে সূর্যাস্ত ক্রুজে যান বা একটি ভাসমান ক্যাসিনো পরিদর্শন করুন।
দিন ৫-৭: দক্ষিণ গোয়া (শান্তি)
দিন ৫: গ্রীষ্মমন্ডলীয় অবকাশ। দক্ষিণে ভ্রমণ করুন এবং দুধসাগর জলপ্রপাত বা একটি মশলার বাগান (যেমন সহকারি) পরিদর্শন করুন এবং সেখানে ঐতিহ্যবাহী গোয়ানিজ দুপুরের খাবার খান।
দিন ৬: পোস্টকার্ডের মতো সৈকত। পালোলেম সৈকতে বিশ্রাম নিন, যা তার অর্ধচন্দ্রাকার আকৃতি এবং রঙিন কুঁড়েঘরের জন্য বিখ্যাত। বাটারফ্লাই বিচ বা হানিমুন বিচে নৌকা ভ্রমণ করুন।
দিন ৭: লুকানো রত্ন। নাটকীয় খাড়া পাহাড়ের দৃশ্য দেখার জন্য কাবো দে রামা ফোর্ট ঘুরে আসুন এবং ফিরে আসার আগে আগোন্ডা সমুদ্র সৈকতের নীরবতা উপভোগ করুন।
🍽️ অবশ্যই চেখে দেখবেন এমন গোয়ানিজ খাবার
সি-ফুড থালি: মাছের কারি, ভাজা মাছ এবং স্থানীয় ভাত সহ একটি প্রধান দুপুরের খাবার।
পোর্ক ভিন্দালু / সরপোটেল: মশলাদার, ভিনেগার-ভিত্তিক পর্তুগিজ প্রভাবিত খাবার।
বেবিঙ্কা: একটি বহু-স্তরীয় ঐতিহ্যবাহী গোয়ানিজ মিষ্টি।
ফেনি: কাজু বা নারকেল থেকে তৈরি স্থানীয় মদ (শক্তিশালী এবং অনন্য!)।
💡 ভ্রমণের জন্য কিছু দরকারি পরামর্শ
পরিবহন: ঘোরার জন্য স্কুটার (৪০০-৬০০ টাকা/দিন) বা গাড়ি (১২০০+ টাকা/দিন) ভাড়া করাই সবচেয়ে ভালো উপায়।
ট্যাক্সি: এখানে উবার/ওলা নেই। ভালো ভাড়ার জন্য GoaMiles অ্যাপ ব্যবহার করুন, অথবা স্থানীয় ট্যাক্সি চালকদের সাথে আগে থেকে দরদাম করে নিন।
নেটওয়ার্ক সংযোগ: ২০২৬ সালে ৫জি ব্যাপকভাবে উপলব্ধ, তবে দক্ষিণের কিছু প্রত্যন্ত সৈকতে সিগন্যাল দুর্বল হতে পারে।
পরিবেশ সুরক্ষা: সৈকতে প্লাস্টিক ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। গোয়ার পর্যটন এলাকাগুলিতে আবর্জনা না ফেলার জন্য কঠোর নিয়ম রয়েছে।
নিরাপত্তা: সাঁতার কাটার আগে সৈকতে সর্বদা লাল পতাকা দেখে নিন; রিপ কারেন্ট বিপজ্জনক হতে পারে।
ক্রিকেট কুইজ চ্যালেঞ্জ 🏏 ক্রিকেট কুইজ চ্যালেঞ্জ ...