दही बड़े Dahi Vada की आसान रेसिपी

 गर्मियों के मौसम में या किसी भी त्योहार पर ठंडे-ठंडे, मुलायम और चटपटे दही बड़े (Dahi Vada / Dahi Bhalla) खाने का मज़ा ही कुछ और है। यहाँ उड़द की दाल से एकदम रुई जैसे सॉफ्ट दही बड़े बनाने की आसान रेसिपी दी गई है:

 आवश्यक सामग्री (Ingredients)

बड़ों के लिए:

 उड़द की दाल (बिना छिलके वाली): 1 कप (4-5 घंटे भीगी हुई)

 हरी मिर्च: 1-2 (बारीक कटी हुई)

 अदरक: 1 इंच का टुकड़ा (कद्दूकस किया हुआ)

 हींग: 1 चुटकी

 नमक: स्वादानुसार

 तेल: तलने के लिए

दही और टॉपिंग के लिए:

 ताज़ा दही: 3 कप (अच्छे से फेंटा हुआ)

 चीनी: 1-2 चम्मच (दही में मिलाने के लिए)

 हरी चटनी (पुदीना-धनिया): स्वादानुसार

 मीठी चटनी (इमली-खजूर): स्वादानुसार

 भुना हुआ जीरा पाउडर: 1-2 चम्मच

 लाल मिर्च पाउडर: 1 चम्मच

 काला नमक: 1 चम्मच

 चाट मसाला: 1 चम्मच

 बारीक कटा हरा धनिया या अनार के दाने: सजाने के लिए

 बनाने की विधि (Step-by-Step Recipe)

 दाल को पीसना और फेंटना

  भीगी हुई उड़द दाल का पूरा पानी निकाल लें। अब इसे मिक्सी में डालें और बहुत कम पानी (सिर्फ 2-3 चम्मच) का इस्तेमाल करके पीस लें। पेस्ट को बहुत ज़्यादा बारीक या बहुत दरदरा नहीं रखना है।

  पिसी हुई दाल को एक बड़े बर्तन में निकालें। अब इसमें हींग और थोड़ा सा नमक डालें।

 सबसे ज़रूरी स्टेप: दाल को एक ही दिशा (direction) में 5 से 7 मिनट तक हाथ से अच्छी तरह फेंटें। जब दाल का रंग हल्का (लाइट) हो जाए और वह फूल जाए, तो समझें कि पेस्ट तैयार है।

> सॉफ्टनेस टेस्ट: एक कटोरी पानी में थोड़ी सी दाल टपका कर देखें। अगर दाल पानी के ऊपर तैरने लगे, तो इसका मतलब है कि बड़े एकदम सॉफ्ट बनेंगे।

 वड़े तलना

  दाल के मिश्रण में कटी हरी मिर्च और अदरक मिला लें।

  कढ़ाई में तेल गरम करें। आंच को मध्यम (medium) रखें।

  हाथों को थोड़ा सा गीला करें, दाल का छोटा हिस्सा लें और गोल-गोल वड़े बनाकर तेल में डालते जाएं।

  वड़ों को अलट-पलट कर हल्का सुनहरा (light golden) होने तक तल लें। इन्हें बाहर निकाल लें।

 वड़ों को पानी में भिगोना

  एक बड़े बर्तन में गुनगुना पानी लें और उसमें थोड़ा सा नमक और एक चुटकी हींग मिला दें।

  तले हुए गर्म वड़ों को इस पानी में डाल दें और 15-20 मिनट के लिए छोड़ दें। इससे वड़े पानी सोखकर एकदम स्पंजी हो जाएंगे।

  20 मिनट बाद, वड़ों को हथेलियों के बीच रखकर हल्के हाथों से दबाएं ताकि अतिरिक्त पानी निकल जाए (ध्यान रहे, वड़े टूटने न पाएं)।

 दही तैयार करना और सर्विंग

  फेंटे हुए दही में चीनी और थोड़ा सा नमक मिलाकर इसे फ्रिज में ठंडा होने के लिए रख दें।

  सर्विंग प्लेट में पानी निचोड़े हुए वड़े रखें।

  इसके ऊपर भरपूर मात्रा में ठंडा गाढ़ा दही डालें ताकि वड़े पूरी तरह छिप जाएं।

  अब ऊपर से हरी चटनी और इमली की मीठी चटनी डालें।

  आखिर में भुना जीरा पाउडर, लाल मिर्च पाउडर, काला नमक और चाट मसाला छिड़कें।

  अनार के दाने और हरे धनिए से सजाकर ठंडे-ठंडे, लाजवाब दही बड़े परोसें!


দই ইলিশের রেসিপি

 দই ইলিশ বাঙালি রান্নার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং ঐতিহ্যবাহী পদ। এটি তৈরি করা যেমন সহজ, খেতেও তেমনই অসাধারণ। নিচে সহজ ও পারফেক্ট দই ইলিশের রেসিপি দেওয়া হলো:

 উপকরণ:

 ইলিশ মাছ: ৪-৫ টুকরো

 টক দই: ৪ টেবিল চামচ (ভালো করে ফেটিয়ে নেওয়া)

 সাদা ও কালো সর্ষে বাটা: ২ টেবিল চামচ (কাঁচা লঙ্কা দিয়ে বাটলে তেতো হবে না)

 কাঁচা লঙ্কা: ৫-৬টি (চেরা)

 হলুদ গুঁড়ো: ১/২ চা চামচ

 1 ১/২ চা চামচ (সুন্দর রঙের জন্য)

 সর্ষের তেল: ৪ টেবিল চামচ

 কালো জিরে: ১/২ চা চামচ

 নুন: স্বাদমতো

প্রস্তুত প্রণালী:

 1. মাছ ম্যারিনেট করা:

   প্রথমে ইলিশ মাছের টুকরোগুলো ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। এরপর সামান্য নুন ও হলুদ গুঁড়ো মাখিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। (দই ইলিশে মাছ না ভেজে কাঁচা রান্না করলে স্বাদ সবচেয়ে ভালো হয়, তবে আপনি চাইলে হালকা এপিঠ-ওপিঠ ভেজে নিতে পারেন)।

 2. মশলার মিশ্রণ তৈরি:

   একটি বাটিতে ফেটিয়ে রাখা টক দই, সর্ষে বাটা, হলুদ গুঁড়ো, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো, সামান্য নুন এবং ১ চামচ সর্ষের তেল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করে নিন।

 3. ফোড়ন দেওয়া:

   কড়াইতে বাকি সর্ষের তেল গরম করুন। তেল গরম হলে কালো জিরে এবং ৩-৪টি চেরা কাঁচা লঙ্কা ফোড়ন দিন। সুগন্ধ বের হওয়া পর্যন্ত কয়েক সেকেন্ড নাড়ুন।

 4. মশলা কষানো:

   এবার আঁচ একদম কমিয়ে দই ও সর্ষের মিশ্রণটি কড়াইতে ঢেলে দিন। ধিমে আঁচে মশলাটি ১-২ মিনিট কষিয়ে নিন, যতক্ষণ না তেল আলাদা হচ্ছে। (আঁচ বেশি থাকলে দই ফেটে যেতে পারে)।

 5. মাছ ও জল দেওয়া:

   মশলা কষে এলে বাটি ধোয়া জল (আন্দাজমতো ১ কাপ) দিয়ে দিন। ঝোল ফুটে উঠলে কাঁচা বা হালকা ভাজা মাছের টুকরোগুলো দিয়ে দিন। উপর থেকে বাকি চেরা কাঁচা লঙ্কাগুলো দিয়ে দিন।

 6. রান্না করা:

   এবার কড়াই ঢাকা দিয়ে মাঝারি আঁচে ৭-৮ মিনিট রান্না করুন। মাঝখানে একবার মাছগুলো সাবধানে উল্টে দেবেন।

 7. ফিনিশিং টাচ:

   ঝোল ঘন হয়ে মাছ সেদ্ধ হয়ে এলে উপর থেকে ১ চামচ কাঁচা সর্ষের তেল ছড়িয়ে দিন। এবার গ্যাস বন্ধ করে কড়াই ঢাকা দিয়ে ৫ মিনিট স্ট্যান্ডিং টাইমে রাখুন।

> পরিবেশন: তৈরি আপনার গরম গরম ধোঁয়া ওঠা দই ইলিশ! দুপুরের খাবারে গরম সাদা ভাতের সাথে এটি পরিবেশন করুন।


সুন্দরবন ভ্রমণের একটি রোমাঞ্চকর কাহিনী

 সুন্দরবন ভ্রমণ মানেই এক অন্যরকম রোমাঞ্চ, যেখানে প্রকৃতির আদিম রূপ আর রোমাঞ্চকর পরিবেশ প্রতি মুহূর্তে গায়ে কাঁটা দেয়। আমার জীবনের অন্যতম সেরা এবং রোমাঞ্চকর এক সুন্দরবন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিচে তুলে ধরলাম:

 

শীতের এক সকালে আমাদের লঞ্চ যখন গদখালী ঘাট থেকে ছেড়ে দিল, তখন চারপাশ ঘন কুয়াশায় ঢাকা। নদী দিয়ে যত সামনের দিকে এগোচ্ছিলাম, শহুরে কোলাহল মুছে গিয়ে চারপাশটা তত শান্ত আর রহস্যময় হয়ে উঠছিল। একটু পরেই আমরা প্রবেশ করলাম খাঁটি ম্যানগ্রোভ অরণ্যে—যেখানে নদীর দুপাশে ঘন গোলপাতা আর সুন্দরী গাছের সারি।

লঞ্চের ছাদে বসে যখন আমরা দুপাশের জঙ্গল দেখছিলাম, হঠাৎ গাইড ইশারা করে বললেন, "সবাই চুপচাপ ডানদিকে তাকান।"* নদীর ঠিক পাড় ঘেঁষে কাদার ওপর একটা বিশাল কুমির রোদ পোহাচ্ছিল! আমাদের লঞ্চের শব্দে সেটা অলস ভঙ্গিতে চোখ মেলে তাকাল এবং মুহূর্তের মধ্যে চাবুকের মতো লেজ নেড়ে ঘোলা জলে মিলিয়ে গেল। বন্য প্রাণীকে এত কাছ থেকে দেখার সেই প্রথম অনুভূতিটা ছিল এককথায় দারুণ।


আমাদের ভ্রমণের সবচেয়ে থ্রিলিং পার্ট ছিল কটকা অভয়ারণ্য। সেখানে যখন আমরা লঞ্চ থেকে নেমে বনের ভেতরের সরু কাঠের ট্রেইল ধরে হাঁটতে শুরু করলাম, তখন গাইড আমাদের কঠোরভাবে নির্দেশ দিলেন কেউ যেন দলছুট না হয় এবং কোনো শব্দ না করে।

  চারপাশে শ্বাসমূল (Pneumatophores) মাটির ওপর তীরের মতো খাড়া হয়ে আছে।

  বনের ভেতরে এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা, শুধু আমাদের পায়ের পাতার নিচে শুকনো পাতার মচমচ শব্দ আর দূরের কোনো অচেনা পাখির ডাক।

  একটু এগোতেই দেখা মিলল একঝাঁক চিত্রা হরিণের। তারা আমাদের দেখেও না দেখার ভান করে গাছের পাতা খাচ্ছিল। কিন্তু বনের এই শান্ত রূপের পেছনেই লুকিয়ে ছিল আসল চেনা আতঙ্ক।

>  হঠাৎ করেই বনের গভীরে একটা বানর তীব্র চিৎকারে ডেকে উঠল, আর সাথে সাথে হরিণগুলো কান খাড়া করে এক ছুটে অদৃশ্য হয়ে গেল। গাইড ফিসফিস করে বললেন, "আশেপাশেই 'বড় মিয়া' (রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার) আছেন। বানর আর হরিণ অ্যালার্ম কল দিচ্ছে।"

সেদিন বাঘ মামার দেখা আমরা সরাসরি পাইনি সত্যি, কিন্তু ওই থমথমে পরিবেশ আর মাটির বুকে বাঘের টাটকা পায়ের ছাপ (Pugmark) দেখে আমাদের যে অবস্থা হয়েছিল, তা সারাজীবন মনে থাকবে। বুকের ভেতর দুরুদুরু কাঁপন আর শিরদাঁড়া দিয়ে বয়ে যাওয়া সেই হিমশীতল স্রোতটাই ছিল সুন্দরবনের আসল রোমাঞ্চ।


ভ্রমণের শেষ আকর্ষণ ছিল রাতে ছোট নৌকায় করে সুন্দরবনের সরু খাঁড়ি বা ক্যানাল ক্রুজিং। চারিদিকের ঘন অন্ধকার আর মাথার ওপর চাঁদের আলো যেন এক মায়াবী জগৎ তৈরি করেছিল। নৌকার ইঞ্জিন বন্ধ করে যখন শুধু লগি ঠেলে আমরা এগোচ্ছিলাম, তখন জলের ছলাৎ ছলাৎ শব্দ ছাড়া আর কোনো আওয়াজ ছিল না। হঠাৎ জলের নিচে জোনাকির মতো আলো জ্বলে উঠছিল—সেটা ছিল জলের এক ধরনের বায়োলুমিনেসেন্ট ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন। জঙ্গল আর জলের সেই অদ্ভুত মিতালী এক অপার্থিব অনুভূতির জন্ম দিয়েছিল।


সুন্দরবনের সেই তিন দিন আমাদের শিখিয়েছে প্রকৃতি কতখানি সুন্দর আর একই সাথে কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে। বাঘের দেখা না পেলেও, তার অস্তিত্বের সেই অদৃশ্য উপস্থিতি আর রোমাঞ্চকর মুহূর্তগুলো আজও আমার স্মৃতিতে টাটকা হয়ে আছে।


সুন্দরবন ভ্রমণ

 সুন্দরবন ভ্রমণ একটি রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। পৃথিবীর বৃহত্তম এই ম্যানগ্রোভ বন তার রহস্যময় সৌন্দর্য এবং বৈচিত্র্যময় বন্যপ্রাণীর জন্য বিখ্যাত। সুন্দরবন ভ্রমণের পরিকল্পনা করার আগে কিছু জরুরি বিষয় জেনে নেওয়া ভালো:

 ভ্রমণের সেরা সময়

সুন্দরবন ভ্রমণের উপযুক্ত সময় হলো অক্টোবর থেকে মার্চ মাস। এই সময়ে আবহাওয়া বেশ আরামদায়ক থাকে এবং বন্যপ্রাণী দেখার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

 ভ্রমণের প্রধান গন্তব্যসমূহ

 হিরণ পয়েন্ট (নীলকমল): হরিণ, বানর এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখার জন্য দারুণ।

 কচিখালী (টাইগার পয়েন্ট): বাঘ দেখার সম্ভাবনা যে এলাকায় বেশি থাকে, তার মধ্যে অন্যতম।

 কটকা: সুন্দরবনের অন্যতম সুন্দর জায়গা। এখান থেকে ওয়াচ টাওয়ারে উঠে বন দেখার সুযোগ রয়েছে।

 মান্দারবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত: একদম নিরিবিলি এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত সৈকত।

 করমজল: এটি মূলত একটি কুমির প্রজনন কেন্দ্র এবং পর্যটন কেন্দ্র। খুব কম সময়ে ঘুরে আসার জন্য এটি সেরা।

 ভ্রমণের প্রস্তুতি

 ট্যুর অপারেটর: সুন্দরবনে ব্যক্তিগতভাবে ঘোরা কঠিন, তাই একটি ভালো ট্যুর অপারেটর বা ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে প্যাকেজ ট্যুর নেওয়া সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। তারা সব পারমিট এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

 পোশাক: আরামদায়ক সুতির পোশাক এবং হাঁটার জন্য উপযোগী স্নিকার্স বা স্যান্ডেল নিন। বনের ভেতর গাঢ় রঙের পোশাক এড়িয়ে চলাই ভালো।

 প্রয়োজনীয় জিনিস: পাওয়ার ব্যাংক, মশা তাড়ানোর ক্রিম (Odomos), সানগ্লাস, টুপি, ক্যামেরা এবং প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত ওষুধ অবশ্যই সঙ্গে রাখবেন।

 অনুমতি: সুন্দরবনে প্রবেশের জন্য বন বিভাগ থেকে অনুমতির প্রয়োজন হয়, যা আপনার ট্যুর অপারেটররাই সাধারণত ব্যবস্থা করে থাকে।

 কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

১. নিরাপত্তা: বনের ভেতর একা হাঁটা বা নির্ধারিত পথ থেকে দূরে যাওয়া একদমই নিষেধ। সবসময় গাইড এবং দলের সাথে থাকুন।

২. পরিবেশ সচেতনতা: সুন্দরবন একটি সংরক্ষিত এলাকা। এখানে কোনো প্রকার প্লাস্টিক বা ময়লা ফেলবেন না এবং পশুপাখিদের বিরক্ত করবেন না।

৩. কোলাহল এড়িয়ে চলুন: বন্যপ্রাণী দেখার জন্য শব্দ কম করতে হয়। শান্ত থাকলে হরিণ বা অন্যান্য বন্যপ্রাণী দেখার সুযোগ বাড়বে।



ছোট গল্প ...বিরক্তির মহাকাব্য

 বাঙালির জীবনের সবচেয়ে বড় রোমাঞ্চ কী জানেন? গোয়েন্দা গল্প বা হরর সিনেমা নয়। আসল রোমাঞ্চ হলো— রবিবারের দুপুরে টানটান হয়ে ঘুমানোর ঠিক ৫ মিনিট আগে কলিংবেলের আওয়াজ।

আজকে আপনাদের শোনাবো অনির্বাণের জীবনের তেমনই এক "বিরক্তির মহাকাব্য"।

ইলিশ-পিটুলির রেসিপি

 ইলিশ-পিটুলি (অনেকে একে ইলিশের পিটুলি বা পিয়াজ-পিটুলি বলেন) একটি ঐতিহ্যবাহী এবং অত্যন্ত সুস্বাদু বাঙালি পদ। চালের গুঁড়ো বা বাটা (পিটুলি) দিয়ে এই রান্নাটি করা হয়, যার ফলে ঝোলটা বেশ ঘন এবং মাখোমাখো হয়।

নিচে সহজ পদ্ধতিতে ইলিশ-পিটুলির রেসিপি দেওয়া হলো:

 প্রয়োজনীয় উপকরণ

 ইলিশ মাছ: ৪-৫ টুকরো

 চালের গুঁড়ো (বা আতপ চাল বাটা): ২ টেবিল চামচ (এটিই হলো পিটুলি)

 কালো জিরে: ১/২ চা চামচ

 কাঁচা লঙ্কা: ৫-৬টি (মাঝখান থেকে চেরা)

 হলুদ গুঁড়ো: ১ চা চামচ

 লঙ্কা গুঁড়ো: ১/২ চা চামচ (ঝাল নিজের স্বাদমতো)

 সর্ষের তেল: ৪-৫ টেবিল চামচ

 নুন: স্বাদমতো

 প্রস্তুত প্রণালী

১. মাছ ম্যারিনেট করা: প্রথমে ইলিশ মাছের টুকরোগুলো ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। এরপর সামান্য নুন ও হলুদ গুঁড়ো মাখিয়ে ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন।

২. পিটুলি তৈরি: ২ টেবিল চামচ চালের গুঁড়ো সামান্য জলে গুলে একটা পাতলা মিশ্রণ বা 'পিটুলি' তৈরি করে সরিয়ে রাখুন।

৩. মাছ হালকা ভাজা: কড়াইতে সর্ষের তেল গরম করুন। তেল গরম হলে নুন-হলুদ মাখানো মাছের টুকরোগুলো দিয়ে হালকা করে এপিঠ-ওপিঠ ভেজে তুলে নিন। (ইলিশ মাছ বেশি কড়া করে ভাজলে তার স্বাদ কমে যায়)।

৪. ফোড়ন ও মশলা কষানো: ওই তেলের মধ্যেই কালো জিরে এবং ৩-৪টি চেরা কাঁচা লঙ্কা ফোড়ন দিন। সুন্দর গন্ধ বেরোলে বাকি হলুদ গুঁড়ো ও লঙ্কা গুঁড়ো সামান্য জলে গুলে কড়াইতে দিন। মশলাটি মাঝারি আঁচে ১ মিনিট কষিয়ে নিন।

৫. ঝোল দেওয়া: এবার কড়াইতে পরিমাণমতো জল (আনুমানিক দেড় থেকে দুই কাপ) এবং স্বাদমতো নুন দিন। ঝোল ফুটে ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

৬. মাছ ও পিটুলি দেওয়া: ঝোল ফুটে উঠলে ভেজে রাখা মাছের টুকরোগুলো দিয়ে দিন। মাঝারি আঁচে ২-৩ মিনিট ফুটতে দিন যাতে মাছের ফ্লেভার ঝোলে মেশে।

৭. ঘন করা: এইবার আঁচটা একটু কমিয়ে, আগে থেকে গুলে রাখা চালের গুঁড়োর মিশ্রণটি (পিটুলি) অল্প অল্প করে ঝোলে ঢালুন এবং ক্রমাগত নাড়তে থাকুন (নাহলে দলা পাকিয়ে যেতে পারে)।

৮. ফিনিশিং টাচ: পিটুলি দেওয়ার পর ঝোলটা দ্রুত ঘন হতে শুরু করবে। আরও ২-৩ মিনিট ফুটিয়ে নিন যাতে চালের গুঁড়োর কাঁচা ভাব চলে যায়। নামানোর আগে উপর থেকে বাকি চেরা কাঁচা লঙ্কা এবং ১ চামচ কাঁচা সর্ষের তেল ছড়িয়ে ঢাকা দিয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন।

> পরিবেশন: গরম গরম ধোঁয়া ওঠা সাদা ভাতের সাথে এই মাখোমাখো ইলিশ-পিটুলি পরিবেশন করুন। এর স্বাদ সত্যিই অতুলনীয়!


Featured post

दही बड़े Dahi Vada की आसान रेसिपी

 गर्मियों के मौसम में या किसी भी त्योहार पर ठंडे-ठंडे, मुलायम और चटपटे दही बड़े (Dahi Vada / Dahi Bhalla) खाने का मज़ा ही कुछ और है। यहाँ उड...